ঐশ্বকরুনার মহাপর্বদিনে ফিলিপাইনের আরভিএ‘র প্রধান কার্যালয়ের চ্যাপেলটি তিনজন সাধু , পর্যায়ক্রমে পোপ ষষ্ঠ পল,পোপ দ্বিতীয় জন পল, এবং মাদার তেরেজার নামে আর্শীবাদ ও উদ্বোধন করা হয়েছে।
অন্ধকার দুর করার উত্তম পন্থা হলো শিক্ষা। শিক্ষার অনুপস্থিতিতে আমাদের মনের মধ্যে একটা অদৃশ্য ভয়ের সৃষ্টি হয় যা আমাদের সামনের পথে এগিয়ে যেতে বিশাল পাহাড় সমান বাধার তৈরী করে আর এই বাধার পাহাড় ভাঙ্গতে শিক্ষা খুবই প্রয়োজন।
নারীরা এখন পুরুষের পাশাপাশি সামনের সারিতে চলে আসছে। কিন্তু পুরুষের মতো সম-সুযোগ থেকে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। তাই আমাদের সকলের উচিত নারী-পুরুষ অসমতা পরিবর্তন করে সম-মর্যাদা নিয়ে এক সাথে এগিয়ে যাওয়া। তখনই দেশ ও সমাজ আরো বেশি উন্নত ও সুন্দর হবে।
যুব দিবসের মূল কেন্দ্র হচ্ছে যুব ক্রুশ। যুব দিবস পালনের উদ্দেশ্য যুব ক্রুশ এক ধর্মপ্রদেশে হতে আরেক ধর্মপ্রদেশে যাত্রা করে কড়া নাড়ে প্রত্যেক যুবাদের হৃদয়ে।
নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরবৃন্দ যেন তাদের হৃদয়ে ২১-এর সেই চেতনাকে ধারণ করতে পারে এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ পায়, সেই মর্মে আয়োজিত "২১ হোক আমাদের প্রেরণা" শীর্ষক এই চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।
কেবল মাত্র বইযের জ্ঞানই মানুষকে জ্ঞানী করে না, সাংস্কৃতিক চর্চা বা বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতমনা ও বিজ্ঞান মনস্ক হয়ে উঠবে, এবং বিজ্ঞান মনষ্ক হলে তাদের মধ্য থেকে কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসও থাকবে না। সাংস্কৃতিক চর্চা আমাদের মনকে উদার করে।
শিশুরা আমাদের দেশ ও মণ্ডলীর ভবিষ্যত। শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুদের যত্নে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সেন্ট গ্রেগরী ১৯৬০ সালে প্রথম বিজ্ঞান উৎসব শুরু করে। বিজ্ঞান উৎসব বা আয়োজন এক বিশাল মহোৎসব, যেন বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞানচর্চার এক বিশাল দিগন্ত। যা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলবে।