সিনডাল বাস্তবায়নের পর্যায়ে স্থানীয় মণ্ডলীগুলোর কাজ কেবল প্রশাসনিক প্রতিবেদন তৈরি করা নয়; বরং নিজেদের জীবনে ঈশ্বর কীভাবে কাজ করছেন, সেই অনুগ্রহের গল্প বিশ্বজনীন মণ্ডলীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা।
বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল বাস্তবতার প্রতি বিশ্বস্তভাবে সাড়া দিতে হলে মণ্ডলীকে শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই চলবে না, বরং আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা ও বিবেচনাবোধ গড়ে তুলতে হবে।
মানুষের কথা শোনা মানে কর্তৃত্ব হারিয়ে ফেলা নয়। বরং একজন বিশপ বিশ্বাসীদের মধ্যে পবিত্র আত্মার কার্যক্রম উপলব্ধি করেই শিক্ষা প্রদান, পরিচালনা ও পবিত্রকরণের দায়িত্ব পালন করেন।
ফা. কস্তা বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি এশিয়ার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এশিয়ার বহু দেশে ক্যাথলিকরা সংখ্যালঘু হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে বসবাস করেন।
জার্মানিভিত্তিক ক্যাথলিক মিশন সংস্থা মিসিও মিউনিখ বলেছে, আন্তর্জাতিক মন্ডলীর অংশীদারিত্ব কেবল অর্থায়ন বা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নয়, বরং পারস্পরিক শ্রবণ, শেখা এবং একসঙ্গে পথচলার মানসিকতার মধ্য দিয়েই দৃঢ় হয়।
এই ১২তম অধিবেশন সভার মূল প্রতিপাদ্যই হলো সমন্বিত মন-পরিবর্তন (Synodal Conversion)। এটি শুধু আমাদের জন্য নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সকল মানুষের জন্যও একটি আহ্বান।"
এশিয়া মণ্ডলীর সিনোডালের রুপান্তরের কর্মসূচি কেবল মাত্র যাজকীয় কাজের মধ্য দিয়ে নয় বরং ঈশ্বরের বাণীর আলো জীবন যাপন এবং সাক্ষ্য বহন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বলেন ফাদার ইয়ান জে. স্টেফাফানাও এসভিডি ।
ফা. ক্লারেন্স দেবাদাস বলেন, এই যৌথ দায়িত্ববোধই সমন্বিত পথচলার প্রকৃত চেতনা প্রকাশ করে, যেখানে নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সকলের মধ্যে ভাগাভাগি হয়।