রাজশাহী ধর্মপ্রদেশে সেবারত যাজকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার
গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের খ্রিস্টজ্যোতি পালকীয় সেবাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার।
অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে মূল আলোচনার বিষয় ছিলো শিশু, নারী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য সুরক্ষা। এতে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও সহ আরো ৫৭জন যাজক।
এই সেমিনারটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ কাথিলিক বিশপ কনফারেন্সের অধীনস্থ বিশপীয় ন্যায় ও শান্তি কমিশনের সচিব ফাদার লিটন হিউবার্ট গমেজ, সিএসসি ও ফাদার উত্তম যোহন রোজারিও।
বিশপ জের্ভাস রোজারিও তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “শিশু, নারী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের পাশাপাশি আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোতে কর্মরতদের জন্যও সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। আর এটা করতে পারলে যাজক হিসেবে আমরাও সুরক্ষিত থাকবো।”
“এছাড়াও ধর্মপ্রদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করা দরকার। বর্তমান সময়ে সুরক্ষা বিষয়ে কাথলিক মণ্ডলী বেশ সচেতন। আর মণ্ডলীর পালক ও বাহক হিসেবে একে অপরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে,” বলেন বিশপ রোজারিও।
ফাদার উত্তম যোহন রোজারিও মণ্ডলীকর্তৃক প্রদত্ত সুরক্ষা বিষয়ক দিকনির্দেশনা বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “সুরক্ষার বিপরীত কার্যক্রম গোপনে সংঘটিত হলেও তা দীর্ঘবছর পর প্রকাশিত হলে সেই বিষয়ে তদন্ত হবে। আর এই বিষয়ে মণ্ডলী বেশ সোচ্চার।”
ফাদার লিটন গমেজ, সিএসসি পোপীয় প্রৈরিতিক পত্রের আলোকে আলোচনায় বলেন, “পোপ ফ্রান্সিস শিশু ও নারীদের সুরক্ষা বিষয়ে বেশ সচেতন ছিলেন। তিনি সুরক্ষা বিষয়ে একাধিক পত্র প্রদান করেছেন। যাজকগণ যেন অন্যদের সুরক্ষিত রাখেন, আর যদি যাজক ও ব্রতধারী-ধারিণীদের দ্বারা কেউ নির্যাতিত হন তাহলে অবশ্যই তদন্তের মধ্য দিয়ে যেন সুষ্ঠু সমাধান হয়।”
পরিশেষে অংশগ্রহণকারী যাজকগণ সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত ব্যক্ত করেন। - বরেন্দ্রদূত