সম্পন্ন হল ২০২৬ – বেঙ্গল রিজিওনাল পাস্টোরাল কাউন্সিল মিটিং
বেঙ্গল রিজিওনাল বিশপ কাউন্সিল মিটিং গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ধ্যান আশ্রমে অনুষ্ঠিত হয়।
বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের পাস্টোরাল কাউন্সিল সভার সূচনা হয় উদ্বোধনী খ্রীষ্টযাগের মাধ্যমে।
উদ্বোধনী পবিত্র খ্রীষ্টযাগ পরিচালনা করেন কলকাতার রেভারেন্ড আর্চবিশপ এলিয়াস ফ্র্যাঙ্ক।
উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাগত ভাষণ দেন বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের মাননীয় বিশপ শ্যামল বসু। এরপর সকল বিশপদের সম্মাননা জানানো হয়। পরে রেভারেন্ড আর্চবিশপ এলিয়াস ফ্র্যাঙ্ক তার সভাপতির ভাষণে সভার মূল ভাবনা তুলে ধরেন। আগের বছরের সভার কার্যবিবরণী সদস্যদের সামনে পাঠ করা হয়।
রিজিওনাল রিপোর্টিং অধিবেশনে প্রচার, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, বিশ্বাস, উপাসনা এবং পরিবার কমিশনের রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়। রিপোর্টগুলি নিয়ে আলোচনা ও ব্যাখ্যা করা হয়। এই অধিবেশন পরিচালনা করেন বাগডোগরার বিশপ রেভারেন্ড পল সিমিক।
বিকেলে মি. আজিন যোসেফ মিডিয়া ইভানজেলাইজেশন নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি নেটফ্লিক্সের ড্রামা সিরিজ “দ্য চোসেন”-এর সাফল্যের কথা জানান, তিনি ইভানজেলাইজেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কনটেন্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে সদস্যদের একটি ডিজিটাল গ্রুপে যুক্ত করেন।
সন্ধ্যার অধিবেশন পরিচালনা করেন বিশপ ফুলজেন্স তিগ্গা। এই অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় দিন শুরু হয় বিশপ ফ্যাবিয়ান টপ্পোর পরিচালনায় পবিত্র খ্রীষ্টযাগের মাধ্যমে।
সকাল অধিবেশন পরিচালনা করেন বিশপ নির্মল গোমেস।
চা বিরতির পর রেভারেন্ড আর্চবিশপ এলিয়াস ফ্র্যাঙ্ক ফাদার ক্লিটাস ডি’সুজা, এসডিবি-কে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বেঙ্গল-সিকিমে চার্চের ভবিষ্যৎ” বিষয়টি নিয়ে গভীর আলোচনা করেন।
বিকেলের অধিবেশনে এই বিষয়ের উপর কর্মশালা হয়।
তৃতীয় দিনে সকালে পবিত্র মিসা পরিচালনা করেন বিশপ স্টিফেন লেপচা। সকাল চা বিরতির পর সমাপনী অধিবেশনে কর্মপরিকল্পনা, তার বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং এরপর মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। প্রতিবেদন – চন্দনা রোজারিও।