জলন্ধরে সম্পন্ন হল সিগনিস জাতীয় সমাবেশ ২০২৬
গত ১৪ -১৬ এপ্রিল ২০২৬,জলন্ধরে জ্ঞানদয়া পাস্টরাল সেন্টারে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।দেশের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে সিগনিস সদস্যবৃন্দ ১৩ এপ্রিল অপরাহ্ণে সেন্টারে উপস্থিত হন এবং নাম নথিভুক্ত করে সমাবেশের কিট সংগ্রহ করে।সন্ধ্যা ৬ টায় বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
১৪ এপ্রিল মহা খ্রীষ্টযাগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।প্রায়৭০ অধিক পুরোহিত, ব্রতধারী নরনারী ও সাধারণ ভক্তদের এই মহাখ্রীষ্টযাগে যোগদান করেন। পৌরহিত্য করেন জলন্ধরের মহা ধর্মপাল ও সহযোগিতা করেন চেয়ারম্যান বিশপ
খ্রীষ্টযাগে পৌরহিত্য করেন রেভারেন্ড বিশপ রায়ারালা ভিজয় কুমার, জলন্ধরের বিশপ রাইট রেভারেন্ড জোস সেবাস্টিয়ান ,পাল পুরোহিত ফাদার সাদিক,ফাদার ভিজয় লোবো ও অন্যান্য পুরোহিতবর্গ।
খ্রীষ্টযাগ শেষ হতেই ফোটোশেষণ শুরু হয়।এরপর মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় হলে।অনুষ্ঠানের থিম ছিল ' হুইসপারিং দ্য পিস অফ হোপ " অর্থাৎ শান্তির আশার বাণী ঘোষণা।
প্রথমেই বিশিষ্ট অতিথিদের মঞ্চে আহ্বান করেন উত্তরীয় ও পাগড়ি পরিয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।এরপর অগ্নিপ্রজ্জ্বোলনের মধ্য দিয়েই মাঙ্গলিক পর্ব শেষ হলে দিনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। সভাপতির ভাষণে মাননীয় বিশপ ভিজয় উপস্থিত সকলকে সাদর আমন্ত্রণ জানান সুসমাচার প্রচারের কাজে সহায়তা করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এরপর মিডিয়াতে বিশেষ অবদানের জন্য লাইফ টাইম এডোয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়।মধ্যাহ্নভোজের আগে ও পরে পরপর কয়েক টি অধিবেশন চলতে থাকে।
যুব সমাজের রোল ও ভূমিকা নিয়ে ইতিবাচক অধিবেশন পরিচালনা করেন মি.পারসিভাল হল্ট।ও মহিলাদের উপর বিশেষ বক্তব্য রাখেন সি.টেসি। মধ্যাহ্নভোজের পরে একটি সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের সংলাপ ও শান্তির সাংস্কৃতিক উপর আলাপ আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন পরিচালনা করেন ফাদার নরবার্ট হারমন।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভাংড়া নৃত্য ও হ্যাপী আওয়ার খুব সুন্দর।
১৫ এপ্রিল খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন সিমলা, চন্ডিগড়ের বিশপ রাইট রেভারেন্ড সাহায়া থাতেয়ুস। খ্রীষ্টযাগের পর গ্রুপ ডিস্কাশন নিয়ে বিশেষ অধিবেশন চলে।শেষে সিগনিস বোর্ড মেম্বার রিজিওনাল প্রতিনিধিদের নিয়ে চলতে ,থাকে।ধন্যবাদ জ্ঞাপন শেষ হতেই ক্যাথিড্রাল দর্শন করতে নিয়ে যাওয়া হয়।
১৬ এপ্রিল অমৃতসর ট্যুর - এ অমৃত সরে স্বর্ণ মন্দির ও ঐতিহাসিক ওয়াঘা বর্ডার দর্শন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শেষে সেন্ট ফ্রান্সিস অফ আসিসির ধর্মপল্লীতে নৈশভোজ সেরে জ্ঞান দয়া পাস্টরাল সেন্টারে ফিরে আসি। প্রতিবেদন – চন্দনা রোজারিও।