নাগরী টলেন্টিনু সাধু নিকোলাস ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠান
গত ৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, নাগরী টলেন্টিনু সাধু নিকোলাস ধর্মপল্লীতে প্রভু যীশুর দেহ ও রক্তের মহাপর্বের দিন অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।
দীর্ঘদিন আধ্যাত্নিক প্রস্তুতির পর নাগরী ধর্মপল্লীর বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ১২২ জন ছেলে-মেয়েরা প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণ করে।
প্রভু যীশুর দেহ ও রক্তের মহাপর্বের খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার মিঠুন মাথিয়াস এক্কা সহ আরো উপস্থিত ছিলেন ৪ জন ফাদার ও ১ জন ডিকন।
ফাদার মিঠুন মাথিয়াস এক্কা তার উপদেশ বাণীতে বলেন, “আজ আমরা মন্ডলীতে একটি বিশেষ দিন পালন করছি আর তা হলো প্রভু যীশুর দেহ ও রক্তের মহাপর্ব। আমরা খুব ভাগ্যবান ও আশীর্বাদিত যে আজ আমরা এই দিনে প্রভু যীশুকে রুটি ও দ্রাক্ষারস আকারে নিজেদের মধ্যে গ্রহণ করতে যাচ্ছি।”
ফাদার আরও বলেন, “আমরা আজ এখানে আসার পূর্বে অবশ্যই কিছু না কিছু খাওয়া-দাওয়া করে এসেছি যা আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন ছিল। আর এখন আমরা সবাই এখানে সমেবেত হয়েছি খ্রিষ্টযাগের মধ্যে আত্মার খাবারের জন্য। আমরা প্রভু যীশুকে রুটি ও দ্রাক্ষারস আকারে আমাদের মধ্যে গ্রহণ করব। আর তা হবে আমাদের আত্মার খাবার।”
“আমরা কিছুক্ষণ পর যে রুটিটা আমাদের মধ্যে গ্রহণ করব সেই রুটির মধ্যে স্বয়ং প্রভু যীশু উপস্থিত থাকেন। তিনি যেহেতু আমাদের মধ্যে আসবেন আমাদেরও উচিত তার কাছে আশা এবং প্রার্থনা করা,” বলেন ফাদার এক্কা।
ফাদার আরও বলেন, “আজ এই রুটি ও দ্রাক্ষারসের আকারে যীশুকে গ্রহণ করব তার উদ্দেশ্যটা কি? তার উদ্দেশ্য হলো এই আমরা যাকে গ্রহণ করি আমরা যেন তার মত হতে পারি তার দেখানো পথে চলতে পারি।”
প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদ গ্রহণকারী একজন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “ আমি দীর্ঘ অনেকদিন ক্লাস করার মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছি আমার খুব আনন্দ হচ্ছে আজকে কারণ আমি প্রভু যীশুকে আমার অন্তরে গ্রহণ করতে পেরেছি।”
খ্রীষ্টযাগের শেষে খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রসংশাপত্র ও রোজারি মালা এবং ছোট্ট একটি বই সবাইকে উপহার হিসাবে তুলে দেওয়া হয়।
পরিশেষে ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত ফাদার খোকন ভিনসেন্ট গমেজ সব কিছুর জন্য সকলকে ধন্যবাদ প্রদান করেন। - প্রাঞ্জল টমাস রোজারিও