বিশ্ব যুব ক্রুশ, জুবিলী ক্রুশ নামেও পরিচিত। এই ক্রুশ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে সাধু পোপ দ্বিতীয় জন পল বিশ্ব যুবাদের হাতে তুলে দেন; যা এখন বিশ্ব যুব দিবসে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাতটি সাক্রামেন্তের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্রামেন্ত হলো খ্রীষ্টপ্রসাদ। তোমরা যারা আজকে এই সাক্রামেন্ত গ্রহণ করবে তোমরা সবাই খ্রিস্টকে আরো গভীরভাবে তোমাদের হৃদয়ে উপলব্দি করতে পারবে।
এই দীপাবলী উৎবে আমরা প্রত্যেকেই বৈষম্য, আত্ম অহম, হিংসা-বিদ্বেষ, মিথ্যা অপবাদ এসব অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে অন্তরে, আচরণে, স্বভাবে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির আলো জ্বালাই; নিজেরাই হয়ে উঠি দীপাবললির প্রদীপশিখা।
প্রথম বিশ্ব যদ্ধের সময় মা মারীয়া সাধবী লুসিয়া, ফ্রান্সিসকো এবং জাসিন্তাকে দেখা দিয়ে বলেছিলেন বিশ্বের শান্তির জন্য প্রার্থনা করতে। যেন এই রোজারী মালা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।