অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিসান বার্ষিক পালকীয় সম্মেলন-২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

গত  - ফেব্রুয়ারি, ২০২৫খ্রিস্টাব্দে, সেন্ট প্ল্যাসিড্স স্কুল এন্ড কলেজে  অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিসান বার্ষিক পালকীয় সম্মেলন। এই বছরের পালকীয় মূলভাব নেয়া হয়প্রভুই আমার রাখাল। (সামসঙ্গীত ২৩)’

এতে ১১ টি ধর্মপল্লী ২টি কোয়াজি-ধর্মপল্লী এর ১৬৭ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিসের পরম শ্রদ্ধেয় আর্চবিশপ সুব্রত লরেন্স হাওলাদার সিএসসি তার ভাবনা পরিকল্পনা সহভাগিতা করেন। তিনি তার পালকীয় পত্র সহভাগিতার সময় বলেন- ‘একজন মেষপালক তাঁর মেষদের সুরক্ষা করেন, পরিচালিত করেন নিরাপদ চারণভূমি এবং পানির উৎসের কাছে।

যীশু হচ্ছেন উত্তম মেষপালকের উদাহরণ। তিনি তাঁর মেষদের ছেড়ে কখনো যায় না। তিনি তাঁর মেষদের চেনেন। তিনি তাঁর হারানো মেষদের খুজে বেড়ান। আমাদের যীশু খ্রিস্টের মতো উত্তম মেষপালক হতে হবে। আমাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে অন্যকে জানতে  হবে। হারিয়ে যাওয়া মেষদের যত্ন নিতে হবে। যাতে তারা সঠিক পথে ফিরে আসতে পারে।

তিনি আরো বলেনএই বছর আমাদের প্রস্তাবিত পদক্ষেপ হতে পারে মানবি সহায়তার নেটোয়ার্কিং গড়ে তোলা, দরিদ্র সংখ্যালঘুদের নিকট পৌঁছানো, পারিবারিক প্রার্থনা ধর্মশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করা, আহ্বানের জন্য প্রার্থনা করা আন্তধর্মীয় কার্যক্রম বৃদ্ধি করা।

এরপর  উপস্থিত যাজক, ব্রতধারী-ব্রতধারীনি, ধর্মপল্লীর পালকীয় পরিষদ প্রতিনিধি, পালকীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কমিটি প্রতিনিধি, যুবক-যুবতী প্রতিনিধিরা নির্ধারণ করেন তাদের ২০২৫ সালে পালকীয় কর্মপরিকল্পনা। 

এসময় মুক্ত আলোচনায় উঠে আসে চট্টগ্রাম কাথলিক আর্চডাইয়োসিসের বর্তমান অবস্থা আমাদের করণীয়।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রনয়ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবারে বার্ষিক পালকীয় সম্মেলনে। এরপর পবিত্র খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক পালকীয় সম্মেলন শেষ হয়।  - ফ্লেভিয়ান ডিকস্তা

Bengali pop up image