রহনপুর সাধু যোসেফের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো আহ্বান দিবস ও যুব সেমিনার
গত ২৮ থেকে ২৯ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রহনপুর সাধু যোসেফের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো আহ্বান দিবস ও যুব সেমিনার।
এই আহ্বান দিবস ও যুব সেমিনারের মূলসুর ছিল ‘‘তখন তারা গিয়ে দেখলেন তিনি কোথায় থাকেন এবং সেইদিন তারা তাঁর সঙ্গেই থাকলেন” (যোহন ১: ৩৯)। এতে ধর্মপল্লীর ফাদার, সিস্টার, যুব এনিমেটর, হোস্টেলের ছেলে-মেয়েসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত প্রায় ১২৫ জন অংশগ্রহণ করে।
এ আহ্বান দিবস আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো মন্ডলীতে যুবক যুবতীরা যেন তাদের জীবনের আহ্বান খুঁজে পেতে পারে এবং নিজেদের আহ্বান বুঝতে পারে।
পবিত্র খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে এ যুব সেমিনার ও আহ্বান দিবস শুরু হয়। খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার সাগর জেমস তপ্ন। তিনি তার উপদেশ বাণীতে যুবাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যুবারাই হচ্ছে মণ্ডলী ও সমাজের প্রাণ। তারা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারে। তবে যুবাদের চিন্তা-ভাবনাকে আরো সৃজনশীল করে তুলতে হবে।”
এই সেমিনারে মূলভাবের আলোকেও আলোচনা করেন ফাদার সাগর তপ্ন। এছাড়া সিস্টার আরতি হালদার জীবনাহ্বান সম্পর্কে সহভাগিতা করতে গিয়ে নিজ জীবনের আহ্বান সমন্ধে সহভাগিতা করেন।
তাদের সহভাগিতায় তারা বলেন, “আহ্বান হলো ঈশ্বরের একটি ডাক। যীশু তোমাকে, আমাকে, আমাদের সবাইকে ডাকেন তার সাথে পথ চলতে এবং বাণী প্রচার করতে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি যীশুর ডাক শুনতে পাই? তাঁকে ভালবাসি? তাঁর সাথে পথ চলতে চাই? যীশুর আহ্বান হচ্ছে ভালোবাসার আহ্বান।”
এরপর দুইজন যুবক-যুবতী তাদের জীবন বিষয়ে সহভাগিতা করেন। তাদের সহভাগিতায় ফুটে উঠে, “জীবনকে সঠিকভাবে জানতে হলে পরিশ্রম ও কষ্টস্বীকার করতে হবে। জীবনে যদি কষ্ট বা পরিশ্রম করতে পারি তা হলে জীবনের আসল অর্থ খুঁজে পাওয়া যাবে।”
পরিশেষে ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা যুবাদের জীবন কেমন হওয়া উচিত, সমাজ ও মণ্ডলীর সাথে কেমন সম্পর্ক রাখতে হবে সে বিষয়ে সহভাগিতা করেন। - ফাদার মুকুট গ্রেগরী বিশ্বাস