রাজশাহী ধর্মপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হলো পুণ্য উপাসনা বিষয়ক গঠনমূলক প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনামূলক কর্মশালা
গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাজশাহী খ্রিস্টজ্যোতি পালকীয় সেবাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো পুণ্য উপাসনার উদযাপন বিষয়ক গঠন প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনামূলক কর্মশালা।
রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের উপাসনা ও প্রার্থনা বিষয়ক কমিশনের আয়োজনে এই প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন বিশপ জের্ভাস রোজারিও, ফাদার লিংকন সামূয়েল কস্তা, ফাদার সুরেশ পিউরিফিকেশনসহ বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে আগত সিস্টার, কাটেখিস্ট, সাক্রিস্তিয়ান ও সেমিনারিয়ানসহ মোট ৯২ জন।
ধর্মপ্রদেশের প্রার্থনা ও উপাসনা বিষয়ক কমিশনের আহ্বায়ক ফাদার লিংকন কস্তা তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “উপাসনা হলো খ্রিস্টমন্ডলীর প্রাণকেন্দ্র আর তাই দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার দলিলেও এটা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার ১৬টি দলিলের প্রথম দলিলটি হলো উপাসনা বিষয়ক। অনেক সময় আমরা অসচেতনতার কারণে উপাসনার সৌন্দর্য নষ্ট করি তাই এই প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে আপনারা শিখতে ও জানতে পারবেন উপাসনা কি? এবং আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য।”
দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে উপাসনার সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা, সাক্রিস্তিয়ানের দায়িত্ব ও কর্তব্য, দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার আলোকে পুণ্য উপাসনা ও প্রস্তুতি, উপাসনার পুস্তকসমূহের পরিচিতি বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন যথাক্রমে সিস্টার কল্যাণী পালমা, সিস্টার স্মৃতি রিবেরু, ফাদার লিংকন কস্তা ও ফাদার সুরেশ পিউরিফিকেশন।
সেশনগুলোর মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবগত হয়েছেন।
রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও বলেন, “আমরা অনেক সময় সচেতন হয়ে খ্রিস্টযাগে অংশগ্রহণ করিনা তাই উপাসনায় নানাধরণের বিঘ্ন তৈরি হয়। উপাসনায় গান অনেক বড় ভূমিকা পালন করে তাই আমাদের উপাসনার গানের বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে এবং যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। তোমরা যা শিখে যাবে ধর্মপলীতে গিয়ে তা প্রয়োগ করবে।”
পরিশেষে ফাদার লিংকন কস্তা সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। - লর্ড রোজারিও।
