ফাদার দেবাদাস বলেন, মণ্ডলীর উচিৎ বিচার-বিবেচনা এবং সুসমাচারে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত থাকার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে একটি মূল্যবান হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা।
দ্বাদশ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের সমাপনী সংবাদ সম্মেলনে বিশপ আন্তোনিয়াস বলেন, সিনোডালিটির জন্য একত্রে চলা এবং পরস্পরকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আরও গভীর অঙ্গীকার প্রয়োজন।
এফএবিসির দ্বাদশ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন থেকে উপনীত হওয়া গেছে: এশিয়ার ব্যাপক বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় মণ্ডলীগুলো ভবিষ্যতের জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।
এফএবিসি’র দ্বাদশ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের প্রতিনিধিরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্যালোচনা করেছেন, ‘এশিয়ার জনগণের প্রতি বার্তা’ এবং ‘সিনোডালিটি ভ্যাডেমিকাম’ (ব্যবহারিক নির্দেশিকা)-এর রূপরেখা।
সিনডাল বাস্তবায়নের পর্যায়ে স্থানীয় মণ্ডলীগুলোর কাজ কেবল প্রশাসনিক প্রতিবেদন তৈরি করা নয়; বরং নিজেদের জীবনে ঈশ্বর কীভাবে কাজ করছেন, সেই অনুগ্রহের গল্প বিশ্বজনীন মণ্ডলীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা।
এই ১২তম অধিবেশন সভার মূল প্রতিপাদ্যই হলো সমন্বিত মন-পরিবর্তন (Synodal Conversion)। এটি শুধু আমাদের জন্য নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সকল মানুষের জন্যও একটি আহ্বান।"
ফেডারেশন অফ এশিয়ান বিশপস' কনফারেন্সেস অফিস ফর সোশ্যাল কমিউনিকেশন (FABC-OSC) আলোকপাত করেছে ডিজিটাল মাধ্যমে ধর্মপ্রচার, সিনোডাল যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতায় তাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ওপর।
পোপ চতুর্দশ লিও'র বিশেষ দূত কার্ডিনাল অসওয়াল্ড গ্রাসিয়াস দ্বাদশ এফএবিসি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের উদ্বোধনী গণপ্রার্থনায় সভাপতিত্ব করেন এবং এশিয়ার খ্রীস্ট মণ্ডলীগুলোকে - সংলাপ, পুনর্মিলন ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে শান্তির নির্মাতা হওয়ার আহ্বান জানান।
কার্ডিনাল ডেভিড বলেন, “খ্রিষ্ট মণ্ডলীর সংখ্যালঘু মর্যাদা কোনো অসুবিধা নয় বরং সংলাপ, পুনর্মিলন এবং ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে সুসমাচারের সাক্ষ্য দেওয়ার একটি সুযোগ।"