সুরশুনিপাড়া ধর্মপল্লীর অন্তর্গত নবনবী গ্রামে গির্জাঘর উদ্বোধন ও হস্তার্পণ সংস্কার প্রদান

নবনবী গ্রামে গির্জাঘর উদ্বোধন, আশির্বাদ ও হস্তার্পণ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, সুরশুনিপাড়া ধর্মপল্লীর অন্তর্গত নবনবী গ্রামে গির্জাঘর উদ্বোধন, আশির্বাদ হস্তার্পণ সংস্কার প্রদান করা হয়।

এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ  জের্ভাস রোজারিও, ফাদারসিস্টারকাটেখিস্ট, বিভিন্ন গ্রামের প্রার্থনা পরিচালক গন এবং প্রায় ৬৫৫ জন খ্রিস্টভক্ত অংশগ্রহণ করেন।

সাঁন্তালী নৃত্য-গীত পদ-প্রক্ষালনের মাধ্যমে বিশপ মহোদয়, পাল পুরোহিত ফাদার প্রদীপ যোসেফ কস্তা, ফাদার লুইস সুশীল পেরেরা, ফাদার উইলিয়াম মুর্মু কয়েকজন সিস্টারকে বরণ করে নেওয়া হয়।

খ্রিস্টযাগের উপদেশ বাণীতে বিশপ জের্ভাস রোজারিও বলেন, “আমাদের অনেক ত্যাগ-সাধনা, পরিশ্রম এবং পোপের বিশ্বাস বিস্তার সংস্থার আর্থিক সহায়তায় এই গির্জাঘর নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। তাই আজ আমরা পিতা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেই।

গির্জাঘর হচ্ছে ঈশ্বরের উপস্থিতির চিহ্ন। আর যখনই আমরা গির্জাঘরে আসবো তখনই ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারবো। আমাদের পোপ ফ্রান্সিস অসুস্থ আছেন, তাঁর সুস্থতা কামনা করেও আজকে এই খ্রিস্টযাগে প্রার্থনা করি”, বলেন বিশপ রোজারিও।

সুরশুনিপাড়া ধর্মপল্লীর অন্তর্গত নবনবী গ্রামে গির্জাঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠান

বিশপ জের্ভাস রোজারিও ফিতা কর্তন করে নবনির্মিত গির্জাঘরের প্রধান দরজা উন্মুক্ত করেন। গির্জা নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কনস্ট্রাক্টর আন্তন কিস্কু বিশপ মহোদয়ের হাতে গির্জার চাবি হস্তান্তর করেন। এরপর গির্জার লিপিফলক উন্মোচন করেন বিশপ মহোদয়।

এছাড়াও এই গ্রামের প্রায় ৫০জন খ্রিস্টভক্ত হস্তার্পণ সাক্রামেন্ত গ্রহণ করেন। এই  হস্তার্পণ সাক্রামেন্ত গ্রহণকারী ভাই-বোনদের উদ্দেশে বিশপ বলেন, “আজ থেকে তোমরা হয়ে উঠবে পরিপূর্ণ খ্রিস্টান এবং একই সাথে তোমরা পবিত্র আত্মাকে লাভ করে তোমরা হয়ে উঠবে বলশালী। তোমাদের উচিত পবিত্র আত্মার প্রেরণায় পথ চলা ও সেই ভাবে জীবন-যাপন করা।

খ্রিস্টযাগের শেষে ফাদার প্রদীপ কস্তা বলেন, “আমরা যেন এই গির্জাঘরের যত্ন নিই এবং প্রার্থনা উপাসনার জন্য এর সঠিক ব্যবহার করি এবং ছেলে মেয়েদেরও যেন ধর্মীয় শিক্ষা দেই - ফাদার উত্তম রোজারিও