রাঘবপুর সাধু যোসেফ ক্যাথলিক গীর্জায় ভেলাঙ্কানি মা মারীয়ার নবাহ প্রার্থনার শুভ সূচনা
বিগত ৩০ আগষ্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে, রাঘবপুর সাধু যোসেফ ক্যাথলিক গির্জায় ভক্তি ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সূচনা হলো ভেলাঙ্কানি মা মারিয়ার নবাহ প্রার্থনা। খ্রীষ্টীয় ক্যাথলিক মণ্ডলীতে প্রতিবছর গভীর বিশ্বাস ও ভক্তির সঙ্গে এই নবাহ প্রার্থনা পালিত হয়ে থাকে।
নবাহ প্রার্থনার প্রথম দিনটি শুরু হয় জপমালা প্রার্থনা ও পবিত্র খ্রীষ্টযাগের মধ্য দিয়ে। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ভেলাঙ্কানি মা মারিয়ার পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এরপর মা মারিয়ার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও আরতি নিবেদন করা হয়।
রাঘবপুর সাধু যোসেফ ক্যাথলিক গির্জার পাল-পুরোহিত ফাদার যোসেফ টোপ্প, এস.জে. পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বাইবেল থেকে মঙ্গল সমাচার পাঠ করা হয়। ভক্তদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা ও কীর্তন-গানের মধ্য দিয়ে সকলে গির্জা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। প্রার্থনা, গান ও ভক্তির আবহে সমগ্র গির্জা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক আনন্দের এক মিলনক্ষেত্র।
প্রথম দিনের পবিত্র খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের ভিকার জেনারেল ফাদার কনৌজ রায়। প্রথম দিনের মূল বিষয় ছিল— “আনন্দদায়িনী মা মারিয়া”। তাঁর বক্তব্য ও উপলব্ধির মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয়, কীভাবে মা মারিয়া বিশ্বাসীদের জীবনে আনন্দ, আশা ও ঈশ্বরের প্রতি গভীর আস্থা নিয়ে আসেন। তাঁর মাতৃস্নেহ ও বিশ্বাসের আদর্শ আজও খ্রীষ্টভক্তদের জীবনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।
এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডি.এস.এ. সিস্টারগণ এবং অগণিত খ্রীষ্টভক্ত। সকলের প্রার্থনা, ভক্তি ও অংশগ্রহণে নবাহ প্রার্থনার প্রথম দিনটি হয়ে ওঠে গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতি ও আনন্দের এক স্মরণীয় দিন। মা মারিয়ার মাতৃস্নেহে বিশ্বাসীদের হৃদয় যেন নতুন আশায় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে—এই প্রার্থনাই উচ্চারিত হয় নবাহের সূচনালগ্নে।
প্রতিবেদন- তন্ময় মন্ডল
