দার্জিলিং ডায়োসিসের জন্য ফাদার এডোয়ার্ড বারেটো (কো-এডজুটর) সহকারী বিশপ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন
২১জানুয়ারী ২০২৬,ফাদার এডোয়ার্ড বারেটোকে কালিম্পংয়ের সেন্ট অগাস্টিনস স্কুল গ্রাউন্ডে দার্জিলিং ডায়োসিসের (কো-অ্যাডজুটর) সহকারী বিশপ হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়, যা এই ডায়োসিসের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত।
ভারত ও নেপালের অ্যাপোস্টলিক নুনসিও লিওপোল্ডো গিরেলির উপস্থিতিতে এই অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা স্থানীয় খ্রীষ্টমণ্ডলীর সাথে পবিত্র সী -এর ঐক্যকে তুলে ধরে।
মহা খ্রীষ্টযাগের মধ্য দিয়ে ফাদার এডওয়ার্ড বারেটোর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পাদিত হয়। দার্জিলিংয়ের কো-অ্যাডজুটর বিশপ হিসেবে তার উপর যাজকীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
মহা খ্রীষ্টযাগ উদযাপনের মধ্যেই এই বিশেষ পবিত্র মুহূর্তগুলি সমবেত খ্রীষ্টবিশ্বাসীদের উপস্থিতি ও প্রার্থনায় দ্বারা পালন করা হয়,যা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল।
এই সমাবেশে আর্চবিশপ এবং বিশপ, পুরোহিত, ধর্মীয় পুরুষ এবং মহিলা এবং বিভিন্ন পল্লীঅঞ্চল এবং তার বাইরের বিশ্বস্তরা প্রতিনিধি হিসেবে একত্রিত হয়েছিল, যা দার্জিলিংয়ের ডায়োসিসের যাজকীয় মিশনের প্রতি সম্মিলিত দায়িত্বকে তুলে ধরে। এই অর্ডিনেশন অনুষ্ঠানটি কেবল ব্যক্তিগতভাবে বিশপ এডওয়ার্ড বেরেটোর এই অভিষেক অনুষ্ঠান তাঁর জন্য যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল,তেমনই দার্জিলিংয়ের ডায়োসিসের জন্য ধন্যবাদ ও আশার মুহূর্তও ছিল।
পবিত্র উপাসনায় সভাপতিত্ব করেন কলকাতা আর্চডায়োসিসের আর্চবিশপ এলিয়াস ফ্র্যাঙ্ক, যিনি প্রধান বিশপ নিযুক্তকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাঁচি আর্চডায়োসিসের আর্চবিশপ ভিনসেন্ট আইন্ড এবং দার্জিলিংয়ের ডায়োসিসের বিশপ স্টিফেন লেপচা সহায়তা করেছিলেন। এছাড়াও উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের বিশপ শ্যামল বোস, কলকাতার প্রাক্তন আর্চবিশপ থমাস ডি'সুজা,বিশপ মণিস প্রমুখ।
খ্রীষ্টযাগ শেষ হওয়ার সাথে সাথে কৃতজ্ঞতা ,ধন্যবাদ জ্ঞাপন শেষে নব অভিষিক্ত সহকারী বিশপ বারেটোকে বিশেষ অভিনন্দন জানানো হয় এবং তার পরিচর্যার জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। লেখক: ফাদার আলেকজান্ডার গুরুং ক্যাথলিক সামাজিক শিক্ষা। অনুলিখন – চন্দনা রোজারিও।