তৃণমূল থেকেই শুরু হোক আমাদের শান্তি ও সম্প্রীতির সেতুবন্ধন:পাকিস্তানি ডোমিনিকান ধর্মযাজক

প্রকৃত সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে তৃণমূল পর্যায়ে, যেখানে ভিন্ন ধর্মের মানুষ প্রতিদিনের জীবনে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত ও সম্পৃক্ত হয়।

জাকার্তায় ২০ থেকে ২৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, অনুষ্ঠিতব্য এফএবিসির প্লেনারি সম্নেলনকে সামনে রেখে পাকিস্তানের ডোমিনিকান ধর্মযাজক ফাদার জেমস চান্নান, ওপি বলেছেন, প্রকৃত সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে তৃণমূল পর্যায়ে, যেখানে ভিন্ন ধর্মের মানুষ প্রতিদিনের জীবনে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত সম্পৃক্ত হয়।

উল্লেখ্য যে, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি পাকিস্তানে খ্রিস্টান-মুসলিম সংলাপ, শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। তিনি এফএবিসির অফিস অব ইকুমেনিক্যাল অ্যান্ড ইন্টার-রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স (OEIA)-এর নির্বাহী সম্পাদক এবং পাকিস্তানের ক্যাথলিক বিশপদের খ্রিস্টান-মুসলিম সম্পর্ক বিষয়ক জাতীয় কমিশনের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রেডিও ভেরিতাস এশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, লাহোরের পিস সেন্টারের মাধ্যমে মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু তরুণ নেতাদের একত্র করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বিশ্বাস গড়ে তোলা হচ্ছে। কোথাও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আন্তধর্মীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধর্মীয় স্থানীয় নেতাদের নিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানে ধর্মীয় উগ্রবাদ, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জোরপূর্বক বিয়ে এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো বড় চ্যালেঞ্জ থাকলেও শান্তির পথ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।অন্ধকারকে অভিশাপ না দিয়ে আশার একটি প্রদীপ জ্বালাতে হবেএমন আহ্বান জানান তিনি।

ফাদার চান্নানের মতে, শুধু ধর্মগুদের বক্তব্য নয়, নিয়মিত স্থানীয় পর্যায়ের সংলাপ পারস্পরিক সাক্ষাৎই প্রকৃত বিশ্বাস গড়ে তোলে। একই সঙ্গে তিনি তরুণদের প্রশিক্ষণ, সেমিনার আন্তধর্মীয় পরিচয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতেরসম্প্রীতির র্নিমাতাহিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সবশেষে তিনি বলেন, এশিয়ায়, বিশেষ করে যেখানে খ্রিস্টানরা সংখ্যালঘু, সেখানে আন্তধর্মীয় সংলাপ কোনো বিকল্প নয়, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য এটি একটি অপরিহার্য যাজকীয় দায়িত্ব। পাশাপাশি মানব মর্যাদা, ন্যায়বিচার সাধারণ কল্যাণ বিষয়ে মণ্ডলীর শিক্ষা সমাজে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।- আরভিএ সংবাদ

 

Bengali pop up image