কলকাতা আর্চডায়োসিস প্যারিশ ফিনান্স কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করল
কলকাতা আর্চডাওসিস গত ১ জুলাই ২০২৬, প্যারিশ ফিনান্স কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করল।ধর্মপল্লীর স্বচ্ছতা ও যৌথ দায়িত্ব বাড়াতে এই পদক্ষেপ।
কাথলিক কানেক্ট সংবাদমাধ্যম অনুসারে কলকাতার আর্চডায়োসিসের ধর্মপল্লীগুলিতে এই নতুন নিয়ম চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
আর্চবিশপ এলিয়াস ফ্রাঙ্ক ২৯ জুন, ২০২৬-এ প্যারিশ ফিনান্স কমিটি (PFC) ধর্মপল্লীর আর্থিক বিষয় নিয়ে নতুন সংবিধি জারি করেছেন। ২০১৪ সালের পুরনো নির্দেশিকা বাতিল করে আরও স্পষ্ট নিয়ম আনা হয়েছে।
*তাতে বলা হয়েছে- প্রতিটি প্যারিশ বা ধর্মপল্লীতে ফিনান্স কমিটির গঠন*
বাধ্যতামূলক যেখানে: ৪-৬ জন পল্লী সদস্য থাকবে।- *সাধারণ লোকদের মধ্যে যাদের ফিনান্স বা আইনের অভিজ্ঞতা আছে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
- *স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে*: প্যারিশ যাজকের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় কমিটিতে থাকতে পারবে না।
- সব সদস্যের নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্চবিশপের অনুমোদন লাগবে
* যাজকের দায়িত্ব ও সীমা*
পাল পুরোহিতকে কমিটির সাথে পরামর্শ করতেই হবে এই ক্ষেত্রে:
- *বাজেট তৈরি ও রিপোর্ট রিভিউ*: যাজক বা পাল পুরোহিত “শুনতে বাধ্য”
- *খরচের সীমা*:
- ₹১৫,০০০ – ₹২৫,০০০: এককালীন খরচের আগে কমিটির সাথে পরামর্শ
- ₹২৫,০০০ – ₹৫০,০০০: নতুন সম্পদ কেনা বা বড় মেরামতের জন্য কমিটির সম্মতি লাগবে
- এর বেশি: কমিটির সম্মতি ছাড়া এগোনো যাবে না
*এই পদক্ষেপ*নেওয়ার কারণ
- *স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা*: আর্থিক তদারকিতে স্বাধীনতা আনা
- *পেশাদার প্রশাসন*প্রতিষ্ঠা। ভারতের অন্যতম প্রাচীন কলকাতা ডায়োসিসে প্যারিশ পরিচালনাকে আরও মজবুত করাই মূল উদ্দেশ্য।
- *ক্যানন ল অর্থাৎ মণ্ডলীর আইন অনুযায়ী*: কোড অফ ক্যানন ল ৫৩৭ অনুসারে প্রতিটি প্যারিশে ফিনান্স কাউন্সিল বাধ্যতামূলক। কমিটি যাজককে পরামর্শ দেবেন - কিন্তু সম্পত্তি পরিচালনার ক্ষমতা যাজকের হাতেই থাকবে
বিগত ২০১৪ সালে অবসরপ্রাপ্ত আর্চবিশপ থমাস ডি’সুজা নির্দেশিকা দিয়েছিলেন। নতুন নিয়মে সদস্যপদ, দায়িত্ব ও আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হল। প্রতিবেদন – চন্দনা রোজারিও।