বনপাড়া ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান

লূর্দের রাণী মারীয়া ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান

গত ২৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বনপাড়া লূর্দের রাণী মারীয়া ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

দীর্ঘদিন আধ্যাত্নিক প্রস্তুতির পর বনপাড়া ধর্মপল্লীর বিভিন্ন গ্রামের ৬৪ জন ছেলে   মেয়ে এই প্রথম পাপস্বীকার খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণ করে। এই পবিত্র খ্রিস্টযাগে জন যাজক সহ অনেক  খ্রিস্টভক্ত উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, প্রথম পাপস্বীকার খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণের পূর্বে প্রার্থী প্রার্থীদের পিতা-মাতাসহ সকলেই পাপস্বীকার সংস্কার গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি নেয়।

প্রথম পাপস্বীকার খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের পবিত্র খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার দিলীপ এস. কস্তা।

পবিত্র খ্রীষ্টযাগের উপদেশ বাণীতে ফাদার দিলীপ এস. কস্তা বলেন, “সাতটি সাক্রামেন্তের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্রামেন্ত হলো খ্রীষ্টপ্রসাদ। আজকের এই দিনে আমাদের ধর্মপল্লীর ৬৪ জন ছেলে মেয়ে প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদ গ্রহণ করতে যাচ্ছে তাই এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন।

প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহনকারী প্রার্থীগণ

তিনি প্রার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, “আজ পবিত্র অন্তর নিয়ে তোমরা যারা যীশুকে গ্রহন করতে যাচ্ছ, আজীবন যেন সেই পবিত্রতা তোমাদের অন্তরে ধরে রাখবে এবং নিয়মিত পাপস্বীকার খ্রিস্টপ্রসাদ সাক্রামেন্ত গ্রহন করবে।” 

প্রার্থীগণ অত্যন্ত আনন্দিত পবিত্র অন্তর নিয়ে যীশুকে প্রথমবারের মতো তাদের অন্তরে গ্রহন করেন।

প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদ গ্রহণকারী মারিয়া গমেজ তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “আমার অনেক ইচ্ছা ছিল যে, খ্রীষ্টপ্রসাদ আকারে যীশুকে আমার অন্তরে গ্রহণ করবো আর আজ আমি যীশুকে গ্রহণ করেছি এবং আমার অনেক ভাল লাগছে।

খ্রিস্টযাগের পর প্রার্থীদের হাতে স্মারক চিহ্ন স্বরূপ প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদের সার্টিফিকেট, রোজারি মালা পবিত্র ক্রুশ তুলে দেওয়া হয়। - ফাদার আলবার্ট বকুল ক্রুশ