এই বছরের জাতীয় যুব দিবসটি হোক নবজাগরণ ও খ্রীষ্টের জীবন্ত সাক্ষী হওয়ার জীবনাহ্বান, অন্ধকারে আলো ছড়ানো, হতাশায় আশা জাগানো, বিভেদের মাঝে ঐক্যের সেঁতু তৈরি করা, সমাজ রূপান্তর ও নবীন উদ্দীপনা নিয়ে যাওয়ার এক যুব মহোৎসব।
তীর্থভূমির মধ্য দিয়ে ঈশ্বর তাঁর করুণা ও আশীর্বাদ উজাড় করে দেন, আর তীর্থযাত্রীরা বিশ্বাস, ভক্তি ও প্রত্যাশা নিয়ে তীর্থযাত্রা করে সেই অনুগ্রহ লাভে ধন্য হন।
একশত বিশ বছর পূর্তি ঈশ্বরের এক মহাশীর্বাদ। ইটালী থেকে আগত পিমে মিশনারী ফাদারগণ আন্ধারকোঠাতে প্রথম পাহাড়িয়া আদিবাসীদের দীক্ষা দিয়ে এখানে ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে ধর্মপল্লী স্থাপন করেছিলেন।
পরিবার হচ্ছে মণ্ডলীর প্রাণ। কিন্তু পরিবারগুলো বর্তমান বাস্তবতায় এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খ্রিস্টান হিসাবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, পরিবারগুলোর যত্ন করা। আর সেটা যেন হয়ে উঠে খ্রিস্টিয় যত্ন।
রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিভিন্ন ধর্মপল্লী পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো আগামী ২০২৭ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ কোরিয়াতে বিশ্ব যুবদিবস অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিধিরা রাজশাহী ধর্মপ্রদেশর কি ধরনের যুব কার্যক্রম হচ্ছে তা দেখা এবং যুবাদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করা।
আহ্বান হলো ডাক। যীশু তোমাকে ডাকেন তার সাাথে চলতে ও থাকতে, বাণী প্রচার করতে। তুমি কি যীশুর ডাক শুনতে পাও? তুমি কি প্রার্থনা ভালোবাসো ? তুমি কি বাণী প্রচার করতে চাও ? যীশুর আহ্বান হচ্ছে ভালোবাসার আহ্বান।