রহনপুর সাধু যোসেফ ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রিস্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান

সাধু যোসেফের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রিস্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,  রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের অন্তর্গত সাধু যোসেফের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রিস্টপ্রসাদ সংস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

প্রথম খ্রিস্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণ করার আগের দিন শিশুরা আধ্যাত্নিক প্রস্তুতি স্বরুপ পাপস্বীকার সংস্কার গ্রহণের মধ্য দিয়ে নিজেদেরকে শুচি-শুভ্র করে তুলে। এতে ধর্মপল্লীর বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রায় ২৭ জন ছেলেমেয়ে প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রিস্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণ করে।

খ্রিস্টযাগে প্রধান পৌরহিত্য করেন ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা। তিনি উপদেশ বাণীতে শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরা আজ থেকে যিশুর সাথে দেহ-মনে ও আত্মায় সংযুক্ত হয়েছ।”

 “যেহেতু আজকে তোমরা যিশুর দেহ ও রক্তকে খাদ্য ও পানীয়রূপে গ্রহণ করছ তাই এখন থেকে তোমাদের কাজ ও দায়িত্ব হবে প্রতিদিন যিশুর মতো হয়ে উঠা, বলেন ফাদার ডি’কস্তা।

তিনি আরো বলেন, “এই পবিত্র খ্রিস্টপ্রসাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তোমরা আরো বেশি পবিত্র হয়ে উঠবে। একই সাথে তোমরা খ্রিস্টকে নিজের মধ্যে ধারণ করবে এবং বহন করবে।”

প্রথম খ্রীষ্টপ্রসাদ গ্রহণকারী একজন মেয়ে তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “আমার অনেক ইচ্ছা ছিল যে, কবে আমি খ্রীষ্টপ্রসাদ আকারে যীশুকে আমার অন্তরে গ্রহণ করবো আর আজ আমি তা করতে পেরেছি তাই ঈশ্বরকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।”

খ্রীষ্টযাগ শেষে প্রথম পাপস্বীকার ও খ্রীষ্টপ্রসাদ সংস্কার গ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। - ফাদার মুকুট গ্রেগরী বিশ্বাস

Bengali pop up image