পাকিস্তানের ক্যাথলিক ধর্মগুরুঃ “সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলাই আমাদের বাণীপ্রচারের ভিত্তি”
আগামী ২০ থেকে ২৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেশন অব এশিয়ান বিশপস' কনফারেন্স (এফএবিসি)-এর দ্বাদশ প্লেনারি সম্মেলনকে ঘিরে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তান ক্যাথলিক বিশপস' কনফারেন্সের সভাপতি ও হায়দরাবাদ ধর্মপ্রদেশের বিশপ স্যামসন শুকারদিন।
রেডিও ভেরিতাস এশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এফএবিসির এই সম্মেলন এশিয়ার স্থানীয় মণ্ডলীগুলোর মধ্যে সংহতি, পারস্পরিক শ্রবণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দারিদ্র্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকর আলোচনা হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।”
বিশপ শুকারদিন বলেন, পাকিস্তানে সিনোডাল রূপান্তর ও সম্প্রীতি গড়ে তোলা কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়; বরং এটি মণ্ডলীর প্রতিদিনের বাস্তবমুখী পালকীয় অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, “সম্প্রীতিগড়ে তোলাই আমাদের স্বাভাবিক কর্মপদ্ধতি।” শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মানবাধিকার কার্যক্রম এবং আন্তধর্মীয় সংলাপের মাধ্যমে পাকিস্তানের মণ্ডলী প্রতিদিন বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের সঙ্গে আস্থা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তুলছে।
তিনি আরও বলেন, “সংখ্যালঘু হয়েও পাকিস্তানের ক্যাথলিক মণ্ডলী দৃঢ় বিশ্বাস, সাহসিকতা এবং আন্তধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা সমগ্র এশিয়ার মণ্ডলীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।
এফএবিসির দ্বাদশ প্লেনারি সম্মেলন থেকে এশিয়ার মণ্ডলীর জন্য একটি বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা, যুব নেতৃত্ব বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে একটি শক্তিশালী যৌথ কণ্ঠস্বর গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিশপ স্যামসন শুকারদিন। - আরভিএ সংবাদ।