ডিজিটাল মিশনারিদের যিশুর সাক্ষী হওয়ার আহ্বান কার্ডিনাল তাগলের
এশিয়ার ক্যাথলিক ডিজিটাল মিশনারিদের প্রতি যিশুকে জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন কার্ডিনাল লুইস আন্তোনিও তাগলে। তাঁর মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে সুসমাচারের সত্যিকারের সাক্ষী হয়ে উঠতে হলে আগে নিজেদের জীবনে যিশুর প্রভাব অনুভব করা জরুরি।
উল্লেখ্য, বিগত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে, কেজন সিটির, রেডিও ভেরিতাস এশিয়া ক্যাম্পাসের পোপ জন পল দ্বিতীয় - অডিটোরিয়ামে শুরু হয় প্রথম এশীয় ক্যাথলিক ডিজিটাল মিশনারি সমাবেশ। ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর চার দিনব্যাপী এই সমাবেশে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে শতাধিক ক্যাথলিক ডিজিটাল মিশনারি, যোগাযোগকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি অংশ নিচ্ছেন।
সমাবেশের মূল বিষয়, “প্রভাবশালী থেকে সাক্ষী: এশিয়ায় ডিজিটাল মিশনের জন্য সিনোডাল পথ”। ডিজিটাল জগতে মণ্ডলীর সুসমাচার প্রচারের কাজে মিশনারিদের ভূমিকা, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে এই সমাবেশে আলোচনা হচ্ছে।
পরিচিতি পর্বে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে কার্ডিনাল তাগলে বলেন, যারা অন্যদের প্রভাবিত করেন, তারাও নিজেরা বিভিন্ন মানুষ, অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধের দ্বারা প্রভাবিত হন। তাই ডিজিটাল মিশনারিদের নিজেদের জীবনে কী এবং কারা প্রভাব ফেলছে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “অন্যদের প্রভাবিত করার আগে প্রত্যেক প্রভাবশালী ব্যক্তিই নিজে প্রভাবিত হয়েছেন।” খ্রিস্টান ডিজিটাল মিশনারিদের ক্ষেত্রে সেই প্রভাবের কেন্দ্রে যিশুকে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
কার্ডিনাল তাগলের মতে, যিশুর কথা ও আত্মার শক্তি যখন একজন মিশনারির জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করে, তখন তাঁর ডিজিটাল কাজও আরও সত্য, খাঁটি ও বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্যে পরিণত হয়। তিনি বলেন, “যা আমাদের প্রভাবিত করেছে, তা দিয়েই আমরা অন্যদের প্রভাবিত করি।”
তিনি ডিজিটাল মিশনারিদের প্রার্থনা ও অধ্যয়নের মাধ্যমে যিশুর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও গভীর করার পরামর্শ দেন। যিশুর কাছ থেকে পাওয়া আলো নিজের মধ্যে আটকে না রেখে অন্যদের সঙ্গে সহভাগিতা করে নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
বার্তার শেষে কার্ডিনাল তাগলে বলেন, যিশুর নামে ডিজিটাল মাধ্যমে এমনভাবে প্রভাব বিস্তার করতে হবে, যাতে মানুষের জীবনে তাঁর আলো ও উপস্থিতি প্রকাশ পায়। তিনি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী এবং তাঁদের মণ্ডলীর সকলের জন্য আশীর্বাদ ও প্রার্থনা করেন। অনুবাদ – অতনু দাস।
