দক্ষিণ ভারতের থাঞ্জাভুর ধর্মপ্রদেশে ২৭৫ জন খ্রিস্টভক্তের মঙ্গলবাণী প্রচারের অভিষেক লাভ

গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, তামিলনাড়ুর ভেলাঙ্কানিতে অবস্থিত সুস্বাস্থ্যের জননী মারিয়ার তীর্থ ব্যাসিলিকায় বিশেষ খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৫টি ধর্মপল্লীর প্রতিনিধি, মোট ২৭৫ জন খ্রিস্টভক্তকে মঙ্গলবাণী প্রচারের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।

খ্রিস্টযাগে পৌরোহিত্য করেন থাঞ্জাভুরের বিশপ টি. সাগয়ারাজ এবং ৩০ জনেরও বেশি যাজক এই খ্রিস্টযাগে অংশ নেন।

উপদেশে বিশপ সাগয়ারাজ নবনিযুক্ত প্রচারকদের ঈশ্বরের ভালোবাসা ঘোষণা করা, মানুষের মাঝে ঈশ্বরের উপস্থিতির সাক্ষ্য দেওয়া এবং নিজেদের জীবনযাপনের মাধ্যমে সুসমাচারের শিক্ষা প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সুসমাচার প্রচার শুধু কথার মাধ্যমে নয়; বরং খ্রিস্টীয় আদর্শ অনুযায়ী জীবনযাপনের মধ্য দিয়েও তা সম্ভব।

বিশপ প্রচারকদের ভালোবাসা, বিশ্বাস, ন্যায়বিচার ও পরোপকারের চেতনা নিয়ে খ্রিস্টীয় সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি তাঁদের নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও খ্রিস্টের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার পরামর্শ দেন।

নবনিযুক্ত প্রচারকেরা এক বছর ধরে খ্রিস্টীয় বিশ্বাস ও সুসমাচার প্রচার বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ধর্মপ্রদেশের উপাসনা  ও ধর্মশিক্ষা কমিশনের উদ্যোগে ১৫টি রবিবার তাঁদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

অভিষেক অনুষ্ঠানে তাঁরা সুসমাচার প্রচারের কাজে নিজেদের সময়, সামর্থ্য ও শক্তি উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে বিশপ প্রত্যেকের হাতে একটি করে ক্রুশ ও জপমালা তুলে দেন।

 উল্লেখ্য তামিলনাড়ুতে শিবগঙ্গাই ধর্মপ্রদেশের পর থাঞ্জাভুর দ্বিতীয় ধর্মপ্রদেশ, যেখানে সাধারণ বিশ্বাসীদের সুসমাচার প্রচারের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ধর্মপ্রদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও প্রতিবছর নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে মণ্ডলীর প্রচারকাজে সাধারণ বিশ্বাসীদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং স্থানীয় খ্রিস্টীয় সমাজ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।– আরভিএ সংবাদ ।

 

Bengali pop up image