ঢাকা তেজগাঁও ধর্মপল্লীর প্রতিপালিকা পবিত্র জপমালা রাণীর পর্ব উদযাপন
গত ৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের অর্ন্তগত, তেজগাঁও ধর্মপল্লীর প্রতিপালিকা পবিত্র জপমালা রাণীর পর্ব মহা সমারোহে পালন করা হয় ।পর্ব প্রস্তুতি সরুপ নয় দিন নভেনার পর মহা সমারোহে পালিত হয়েছে এই পর্ব দিবস।
পর্বীয় খ্রিস্টযাগ অপর্ন করেন বরিশাল ধর্মপ্রদেশের শ্রদ্ধেয় বিশপ ইম্মানুয়েল কানন রোজারিও ।
খ্রিস্টযাগের উপদেশে তিনি বলেন, “১৫৭১ খ্রিষ্টাব্দে জপমালা রাণীর পর্ব ঘোষণা করা হয় । জপমালা খ্রিস্টিয় প্রার্থনা শুরু হয়েছে আমাদের জীবনে মানুষের মন পরিবর্তন ও মন্দতাকে পরাজিত করার অস্ত্র হিসেবে।
১৫৬৯ খ্রিষ্টাব্দে পোপ পঞ্চম পিউস জপমালার প্রার্থনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন। তখনকার প্রেক্ষাপট ছিলো যুদ্ধ-বিদ্রোহের। তখনই পোপ পঞ্চম পিউস বিশ্ববাসীকে জপমালা প্রার্থনা করার আহ্বান করেছিলেন। সকলের জপমালার প্রার্থনার ফলেই তারা যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন।”
বিশপ আরও বলেন, ২০০২ খিষ্টাব্দে সাধু পোপ ২য় জন পলের মতে আমরা জপমালা প্রার্থনা করে ৪টি নিগূঢ়তত্ত্ব ধ্যান করি- আনন্দময়, শোকময়, গৌরবময় এবং জ্যোতির্ময়। যার মধ্যে দিয়ে আমরা যীশু খ্রীষ্টের জীবন সম্পর্কে জানতে পারি। অর্থাৎ জপমালা পর্বের মূল বিষয়ই হলো মা-মারীয়ার মধ্য দিয়ে যীশুর সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করা।"
উক্ত এই পর্ব দিবসে একজন খ্রিস্টভক্ত তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন "আগে আমি অনেক অসুস্থ ছিলাম পরবর্তীতে প্রতিদিন মা মারিয়ার কাছে এই জপমালা প্রার্থনা করতে করতে আমি সুস্থতা লাভ করি ।মা মারিয়ার প্রতি আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে। মা- মারীয়ার কাছে প্রার্থনা করে কখনো আমি শুন্য হাতে ফিরে যায়নি।"
পবিত্র খ্রিস্টযাগ শেষে ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার জয়ন্ত এস গমেজ সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সংবাদ - প্রাঞ্জল টমাস রোজারিও
