ভাসানিয়ায় সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার উপাসনালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভেলেংকিনী মা-মারীয়ার পর্বোৎসব
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঠবাড়ী ধর্মপল্লীর অধীনস্থ ভাসানিয়া সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার উপাসনালয়ের খ্রিস্টভক্তদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভেলেংকিনী মা-মারীয়ার পর্বোৎসব।
নয় দিনের নভেনা প্রার্থনার পর এ ভেলেংকিনী মা-মারীয়ার পর্বোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রায় ৭০০০ খ্রিষ্টভক্ত উপস্থিত ছিলেন।
এ পর্বোৎসবের খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ঢাকা আর্চডায়োসিসের প্রাক্তন আর্চবিশপ কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও, সিএসসি এবং সাথে ছিলেন মঠবাড়ী ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত সুব্রত বনিফাস টলেন্টিনো।
খ্রিষ্টযাগের উপদেশ বাণীতে কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’রোজারিও বলেন, “আমার কাছে এই তীর্থ হলো লোকো ধর্ম, এখানে যেমন মান্ডলিক উপসনা আছে, রয়েছে খ্রিষ্টপ্রসাদ এবং রয়েছে খ্রিষ্টভক্তদের প্রার্থনা। এই তীর্থ সেটা লোকো ধর্ম অর্থাৎ জনগণের ধর্ম, ২৫ বছরে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এটা দেখে যাচ্ছি। সমস্ত আয়োজন ভক্তজনগণ করছে।”
উল্লেখ্য, ২৫ বছর ধরে মঠবাড়ী ধর্মপল্লীর অধীনস্থ ভাসানিয়া সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার উপসনালয়ে ভেলেংকিনি মা-মারীয়ার পর্ব পালিত হয়ে আসছে।
ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত সুব্রত বনিফাস টলেন্টিনো বলেন, “ভেলেংকিনী মা-মারীয়াকে আরোগ্যদায়িনী মা বলা হয়। আমরা মানুষ অনেক ধরণের শারিরীক রোগে ভুগছি।”
ফাদার আরো বলেন, “একই সাথে সমাজে, দেশে এবং বিশ্বে নানা ধরনের অশান্তি বিরাজ করছে। আমি মা-মারীয়ার কাছে এই শারিরীক আরোগ্যে পাশাপাশি সমাজ, দেশ ও বিশ্বের শান্তি কামনা করি।”
পর্বদিবসে মঠবাড়ী ধর্মপল্লী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ফাদার, সিস্টার, খ্রিষ্টভক্ত ও সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা ক্রেডিটের সেক্রেটারি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটি সদস্যের পক্ষ থেকে উপস্থিত খ্রিষ্টভক্তকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “ভাসানিয়াতে যে ভেলেংকিনী মা-মারীয়ার পর্বোৎসব পালিত হচ্ছে এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের।”
তিনি আরো বলেন, “আমরা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত জীবনে মা-মারীয়ার প্রতি যে বিশ্বাস ও ভক্তি তা ধরে রাখবো। মা মারীয়া যেন আমাদের প্রত্যেককে আত্মিকভাবে সুস্থতা দান করে এই কামনা করি”। - ডিসিনিউজ
