বারুইপুরে বড়দিন উৎসব পালিত সান্ডে স্কুলের ছেলে-মেয়ে ও অল্টার সেবক-সেবিকাদের নিয়ে

বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের 'দিশারী পাস্টরাল সেন্টারে' সান্ডেস্কুলের ছেলেমেয়ে অল্টার সার্ভার দের  নিয়ে বড়দিন উৎসব পালন করা হল।


গত   জানুয়ারি ২০২৬, প্রায় ২৭০ জন ছেলে-মেয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে ক্যাথিড্রালে
মহা খ্রীষ্টযাগের মধ্য দিয়ে বড়দিনের মিলন অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সকাল   টা ৩০মি. খ্রীষ্টযাগ  শুরু হয়। একাধিক পুরোহিত সম্মিলিত  ভাবে খ্রীষ্টযাগ উদযাপন করেন। পৌরহিত্য করেন প্রাক্তন বিশপ সালভাদোর লোবো।সহযোগিতা করেন  : অবনীন্দ্র : দীপক এক্কা।

উপদেশে প্রাক্তন বিশপ, তিন  পণ্ডিতের  পার্বনের  কথা উল্লেখ করে বলেন, কিভাবে তাঁরা প্রাচ্যদেশ থেকে একটি তারা   দেখে  বেথলেহেমে  পৌঁছেছিলেন,আর  নবজাত শিশু যীশুর  পায়ে উপহার দিয়েছিলেন। তাই আমাদেরও পণ্ডিতের মত  সেই  আলোর  সন্ধান  করতে হবে। যীশুর  কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।"

 
খ্রীষ্টযাগ শেষ হতেই ফোটোশেষণ  শেষ করে সকলে দিশারীতে মিলিত  হয় পরবর্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই  বিশিষ্ট অতিথিদের  চন্দনের টিকা পুষ্প স্তবক  দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।অগ্নিপ্রজ্জ্বোলনের মধ্য দিয়েই মাঙ্গলিক পর্ব শেষ হয়।

শুরু হয়  মূল অনুষ্ঠান বড়দিনের  স্কিট প্রতিযোগিতা। বিষয় ছিল  যীশু যদি২০২৬ জন্মগ্রহণ করতেন  তাহলে সেটা কেমন হত?

বারুইপুর ধর্ম প্রদেশের  বিভিন্ন  ধর্ম পল্লী সাব ষ্টেশনের ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। সবাই  ছবিটির নিজের  নিজের  দক্ষতার মেলে ধরতে।বিচারকের  আসনে যারা ছিল, তাদের  বেশ  বেগ  পেতে হচ্ছিল। তবে সেরার শিরোপা হোগল কুড়িয়ে প্যারিশ  নিয়ে নেয়।

সব শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন  দিশারীর  পরিচালক  : অবনীন্দ্র দাস।  শেষে প্রত্যেকের  হাতে বড়দিনের  উপহার  তুলে দেওয়া  হলে ,সবাই মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ  নিয়ে মিলন উৎসবে মেতে ওঠে। প্রতিবেদন – চন্দনা রোজারিও।

Tags