জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হল বারুইপুর ধর্মপ্রদেশে
গত ৯ আগস্ট ২০২৬, বারুইপুর ধর্মপ্রদেশের দিশারীর পাস্টোরাল সেন্টারে সাড়ম্ভরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হল। ধর্মপ্রদেশের বিভিন্ন প্যারিশ বা ধর্মপল্লী থেকে প্রায় ১৫৩ জন যুবক- যুবতী এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল।
মহা খ্রীষ্টযাগের মধ্দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।খ্রীষ্টযাগের আগে বারুইপুর ক্যাথিড্রাল প্রাঙ্গনে ICYM (ইন্ডিয়ান কাথলিক ইয়ুথ মিনিস্ট্রি) এর পতাকা উত্তোলনে সহায়তা করেন ধর্মপ্রদেশের রেভারেন্ড বিশপ শ্যামল বোস।
এরপর খ্রীষ্টযাগ শুরু হয় বেলা দশটায় খ্রীষ্টযাগ শুরু হয়।পৌরহিত্য করেন মাননীয় বিশপ শ্যামল বোস। সহযোগিতা করেন ফ: দীপক এক্কা, ফাদার সঞ্জয়, ফ: সন্তনম, ফ: গৌতম নস্কর প্রমুখ।
উপদেশে বিশপ মহোদয় আকাশে বিপদসঙ্কুল উড়োজাহাজের গল্পের মধ্য দিয়ে আমাদের পিতা পরমেশ্বরের উপর নির্ভরশীল হওয়ার আবেদন জানান।প্লেন চালক পিতার প্রতি ছোট ছেলেটির যে আত্মবিশ্বাস আমাদের ও সেইরকম আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে ।তবেই আমরা সব বাধা কাটিয়ে নিজেদের লক্ষে পৌঁছাতে পারবো।
খ্রীষ্টযাগের পর সকলে দিশারীতে সম্মিলিত হয়। সেদিনের বিশেষ আকর্ষণ থিমের উপরে স্কিট কম্পিটিশনের জন্য সকল প্রতিযোগীদের প্রস্তুত হতে বলা হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় উদ্বোধনী সমবেত নৃত্য দিয়ে। এরপর অগ্নিপ্রজ্জ্বোলন ও বিশেষ অতিথিদের পুষ্প স্তবক ও উপহার দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
অগ্নিপ্রজ্জ্বোলনে অংশ নেন বিশিষ্ট অতিথি মাননীয় বিশপ শ্যামল বোস, দিশারীর পরিচালক ফাদার দীপক এক্কা, চ্যান্সেলর ফাদার গৌতম,যুব কমিশনের ফাদার সঞ্জয়, রিসোর্স পার্সেন শ্রী অসীম ক্যাম্প ও শ্রীমতী চন্দনা রোজারিও।
এরপর মূল অনুষ্ঠান স্কিট প্রতিযোগিতা শুরু হয় প্যারিশ অনুসারে। সবাই আপ্রাণ চেষ্টা করে তাদের বিষয় বস্তুকে তুলে ধরার। টান টান উত্তেজনার মধ্যে হোগল কুড়িয়া প্যারিশ সেরার শিরোপা জিতে নেয়। দ্বিতীয় স্থান দখল করে মরাপাই প্যারিশ ও তৃতীয় হয় ঠাকুর পুকুর সেক্রেড হার্ট চার্চ প্যারিশ
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার পর ফাদার সঞ্জয় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অংশগ্রহণকারী সকলকে যুব দিবস উপলক্ষেএকটি অখণ্ড বাইবেল উপহার দেওয়া হয়। শেষে অ্যনিমেটরগণ এ্যাকসেন সং পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠান শেষে সকলে মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ গ্রহণ করে। যুব কমিশনের পরিচালক অ্যনিমেটর অরিত্র সেন ও,পলিনা গোমেসের সুষ্ঠ পরিচালনা অনুষ্ঠানে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিল। প্রতিবেদন – চন্দনা রোজারিও।
