হারবাইদ নির্মলা মারীয়ার গির্জার রজত জয়ন্তী উদযাপন

ভাদুন ধর্মপল্লীর হারবাইদ নির্মলা মারীয়ার গির্জার রজত জয়ন্তী উদযাপন

গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,  ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ অন্তর্গত ভাদুন ধর্মপল্লীর হারবাইদ নির্মলা মারীয়ার গির্জার রজত জয়ন্তী উদযাপন করা হয়।

এই রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছয়জন ফাদার সহসিস্টারব্রাদার এবং সেমিনারিয়ানগণ। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন ধর্মপল্লীর বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত প্রায় পাঁচশতাধিক খ্রিস্টভক্ত।

হারবাইদ ধর্মপল্লীর এই পূর্তি উৎসবের খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার তপন ডি’রোজারিও এবং উপদেশ বাণী রাখেন ফাদার লিন্টু কস্তা ।

ফাদার লিন্টু কস্তা খ্রিষ্টযাগের উপদেশ বাণীতে কি করে এই জায়গাটার নাম হারবাইদ রাখা হয়? কি করে এই জায়গায় খ্রীষ্টধর্ম প্রতিষ্ঠা লাভ করে? তার ওপর সহভাগিতা করেন।

তিনি আরো বলেন, “সেই প্রথম থেকে এখানকার মানুষ এক ছিল এবং তাদের মধ্যে একতা ছিল। এখন আমরা সেই একতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি আমাদের পুনরায় এই একতা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এই একতা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতে হবে।”

ধর্মপল্লীর রজত জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীগণ

এই গির্জাটি হল একটি একতার চিহ্ন আর আমরা এখানে বিভিন্ন স্থান থেকে এসে ব্রাদার, সিস্টার সাধারণ খ্রিস্টভক্ত ছোট বড় সবাই একসাথে বসেছি একসাথে প্রভুর বাণী শুনছি,” বলেন ফাদার কস্তা।

তিনি আরো বলেন, “একটি সলাটির কাঠি যদি একা থাকে তাহলে সেটা সহজে ভেঙে ফেলা যায়, আর সে জায়গায় যদি একত্রে অনেকগুলা কাঠি থাকে তাহলে সেটা ভাঙ্গা যায় না, সেটা দিয়ে সহজেই আমরা ঝাড়ু দিতে পারি সহজেই ভেঙে ফেলতে পারিনা।  ঠিক সে রকমেরই আমাদের সকলকে এক থাকতে হবে এবং এক থেকে কাজ করে যেতে হবে। এটাই হোক আমাদের হারবাইদ গ্রামের একমাত্র প্রত্যাশা।”

খ্রীষ্টযাগের শেষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে সকালের সাথে আনন্দ সহকারিতা করা হয় এবং সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। - প্রাঞ্জল টমাস রোজারিও