সি সি বি আই (CCBI) পরিযায়ী কমিশন পুনর্ব্যক্ত করল পরিযায়ী যাজকীয় সেবার প্রতি অঙ্গীকার
বেঙ্গালুরু, ২২জুলাই২০২৬, কাথলিক কানেক্ট সূত্র অনুসারে, সি সি বি আই (CCBI)-এর শরনার্থী তথা পরিযায়ী কমিশনের জাতীয় পরিষদ বেঙ্গালুরুর পালানা ভবনে মিলিত হয়। সভায় "পরিযায়ী তথা শরণার্থী পরিষেবায় যাজকীয় পরিকল্পনা"-র বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করা হয় এবং অংশগ্রহণমূলক ও সিনোডাল পদ্ধতির মাধ্যমে পরিযায়ীদের পাশে থাকার ক্ষেত্রে খ্রীষ্টমণ্ডলীকে আরও দৃঢ় করা র অঙ্গীকার করা হয়।
রায়পুরের আর্চবিশপ ও CCBI পরিযায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান - আর্চবিশপ ভিক্টর হেনরি ঠাকুর,তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে প্রতিটি মিশন ও সেবার ক্ষেত্রে সম্পর্কের গুরুত্বের উপর জোর দেন।
তিনি সদস্যদের আহ্বান জানান ,পরিযায়ীরা যাতে খ্রীষ্টমণ্ডলীতে, সম্মান ও মর্যাদা পায় এবং আপনজনের অভিজ্ঞতা লাভ করে।
তিনি বলেন, পরিযায়ীদের শুধু যাজকীয় সেবার প্রার্থী হিসেবে নয়, বরং মণ্ডলীর মিশনে সক্রিয় অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে।
বেঙ্গালুর সহায়ক বিশপ জোসেফ সুসাইনাথন যীশুর উক্তি স্মরণ করিয়ে দেন, "আমার মা কে? আমার ভাই-ই বা কারা?" (মথি ১২:৪৮)।
তিনি ভাষা, সংস্কৃতির পার্থক্য ছাড়িয়ে পরিযায়ীদের এক খ্রীষ্টীয় পরিবারের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করতে মণ্ডলীর প্রতি আহ্বান জানান।
ফা. জোসেফ জেভিয়ার SJ, অধিবেশনে বলেন, জাতীয় পরিষদটি গঠিত হয়েছে একটি পরামর্শমূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে, যা ইতিমধ্যেই পরিযায়ী সেবার জন্য নতুন উদ্যোগ ও নতুন গতি এনেছে। এজন্য বিভিন্ন ধর্মপ্রদেশের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন।
ফা. জেইসন ভাদাসেরি, CCBI পরিযায়ী কমিশনের মুখ্য সচিব "পরিযায়ী যাজকীয় পরিকল্পনা"-র বাস্তবায়নের একটি পর্যালোচনা পেশ করেন।
এই নতুন অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে — এমন একটি মণ্ডলী গড়ে তোলার কথা তিনি বলেন যেখানে প্রতিটি পরিযায়ী তথা শরনার্থীকে মর্যাদা ও সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করা হবে এবং মণ্ডলীর মিশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান হবে। অনুলিখন – চন্দনা রোজারিও।
