কলকাতা: আর ভি এ এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ফাদার ফেলমারের ভারত সফর

কলকাতা: আর ভি এ এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ফাদার ফেলমারের ভারত সফর

রেডিও ভেরিতাস এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার  ফাদার ফেলমার  ফাইল এস .ভি. ডি ১০ দিনের  ভারত  সফরে এসেছেন।এই সফরে তিনি কলকাতা সহ চারটি প্রদেশ  ভ্রমণ  করবেন।মধ্য প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু। ইতিমধ্যেই তিনি কলকাতার 'বাংলা' ,মণিপুরের  'যো ' ও ইন্দোরে হিন্দি সার্ভিসের কর্মীবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ সম্পন্ন করে অন্ধ্রপ্রদেশ তেলেগু সার্ভিসের সাথে সাক্ষাতের  উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

গত  ২৯ মে ফাদার  ফেলমার  রাত  ১:৩০ মি. কলকাতার আর্চডায়োসিসের  সেবাকেন্দ্রে উপস্থিত হন।ঐ দিন  মধ্যাহ্নে মণিপুরের যো সার্ভিসের কোওডিনেটর  ফ: মুং ও কর্মীবৃন্দ  উপস্থিত  হন।সাম্প্রতিক   মণিপুরের  পরিস্থিতির কথা ভেবে   ওদের  কলকাতায় আমন্ত্রণ জানান  হয় যৌথ  ভাবে সভায় অংশগ্রহণ  করতে।সেই  কারণে এই  সমাবেশ  বিশেষ  গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

যদিও  ফাদার ফেলমারের এই সাক্ষাৎকার  সৌজন্য মূলক হলেও তিনিই  প্রতিটি সদস্যের  সাথে আলাদা ভাবে কথা বলেন  এবং কিভাবে আর ভি এর  উন্নতি করা যায় ও নতুন  আর  কী ভাষায় অনুষ্ঠান  শুরু করা যায় তা নিয়ে পরামর্শ  করেন।

৩০ তারিখ  সকাল  ১০ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রদীপ প্রজ্জ্বোলনের  মাধ্যমে। এর পর  প্রার্থনা নৃত্য পরিবেশন , উত্তরীয়, ফুল -চন্দনে অতিথিদের  বরণ, উপহার দানের  মাধ্যমেই প্রথম অধিবেশন   শেষ হয়। এরপর সামান্য  জলপান শেষ করে ২য় অধিবেশন শুরু করা হয়।

সকলে  সংক্ষেপে নিজের  পরিচয় দেন।ফাদার  ফেলমার  বাংলার বর্ণময় সংস্কৃতির  প্রশংসা করেন। আর ভি এর বর্তমান ওভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন।সন্ধ্যায় কলকাতার  কিছু দর্শনীয় স্থান  পরিদর্শন করেন।

পরের দিন সকালে  কলকাতার সাধ্বী তেরেসার সমাধি স্থলে  খীষ্টযাগ  উৎসর্গ করেন;সহযোগিতা করেন  ফাদার  মুং ।

উপদেশে তিনি  ম্যানিলার  থ্রি সেন্ট  চ্যাপেলের  উল্লেখ করেন  । যেখানে  এই তিন  সাধুর পদচিহ্ন  আছে। সাধু ষষ্ঠ  পল,সাধু জন পল দ্বিতীয় ও কলকাতার সাধ্বী তেরেসা আর  ভি এ ভ্রমণ করেন।

এরপর  বি আর  বি শি যান ও অফিস  ঘুরে দেখেন। উভয় বিভাগের স্টাফদের সাথে  ফোটো তোলেন।  সকলের  হাতে উপহার  তুলে দেন।বিকালে বারুইপুর  বিশপ হাউসে নৈশ ভোজে অংশ নেন।

১ জুন  জলযোগের পর ফাদার ফেলমার ও মণিপুরের  দল  কলকাতার  নেতাজী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

প্রতিবেদনচন্দনা রোজারিও