জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশের প্রেরিতদূত সাধু টমাসের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক সেমিনার

দেলুয়াবাড়ী প্রেরিতদূত সাধু টমাসের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক সেমিনার

গত ২১ থেকে ২২ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশের অন্তর্গত দেলুয়াবাড়ী প্রেরিতদূত সাধু টমাসের ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক সেমিনার।

দেলুয়াবাড়ী ধর্মপল্লীর আয়োজনে রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় হলি ক্রস ফ্যামিলি রোজারী মিনিস্ট্রি সহযোগিতায় পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এই সেমিনারের মূলসুর  ছিল, “এসো জপমালা প্রার্থনা করি, কুমারী মারীয়ার আদর্শে জীবন গড়ি এতে ধর্মপল্লীর ফাদার, সেমিনারীয়ান এবং গ্রামের মহিলা-পুরুষ, যুবক- যুবতী ছেলে-মেয়েসহ ৫৬ জন অংশগ্রহণ করেন।

ফাদার অনিল মারাণ্ডী মূলবিষয়ের উপর সহভাগিতায় বলেন, “অভিজ্ঞতা বাস্তবতায় দেখা যায় যে, পিতামাতাগণ তাদের সন্তানদেরক্রুশের চিহ্নশিখানোর পরপ্রণাম মারীয়াপ্রার্থনা শেখান। আর কাথলিক খ্রিস্টবিশ্বাসী হিসেবে আমরা জপমালা প্রার্থনার মাধ্যমে ভক্তি, ভালবাসা, চাওয়া-পাওয়া, নিবেদন-আবেদন শ্রদ্ধা মায়ের মধ্য দিয়ে সকল উপহার ঈশ্বরকে দিয়ে থাকি।

পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক সেমিনার

তিনি আরও বলেন, “ভক্তির অর্ঘ্যের এই নিবেদনের মধ্য দিয়েই মা মারীয়াকে আমাদের পরিবারের রাণী, খ্রিস্টমণ্ডলীর মাতা এবং সকলের মা হিসেবে গ্রহণ বরণ করেছি।

এই সেমিনারে অংশগ্রহণকারী জগেশ পাহান বলেন, “আমি একজন গ্রাম প্রধান হিসেবে অভিজ্ঞতা করেছি যে, গ্রাম পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক সময় যখন বিভিন্ন সমস্যায় পড়ি বিপদ-আপদ সংকটময় মুহূর্তে থাকি তখন আমি মা মারীয়ার মধ্যস্থতায় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি। আর তিনি আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

তিনি আরও বলেন, মা মারিয়ার বিশেষ কৃপা আশির্বাদে আমি ভালো আছি আমার গ্রাম অনেক ভালো ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।” -  ফাদার অনিল ইগ্নেসিউস মারাণ্ডী

Bengali pop up image