এফএবিসি‘র বিশপগণ ব্যাংককে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন

গত ৩ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এশীয় বিশপ সন্মীলনির সকল বিশপগণ ব্যাংককে  এফএবিসি এর, কেন্দ্রীয়  কমিটির বার্ষিক সভায় একত্রিত হন  এবং  সাম্প্রতিককালে মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষভাবে ইরান, ইস্রায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে যুদ্ধ চলছে এই দেশ গুলোর মধ্যে শান্তির জন্য বিশেষ  সাক্রামেন্তীয় আরাধনা প্রার্থনা করেছেন।

উল্লেখ্য এফএবিসি’র  কেন্দ্রীয়  কমিটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের এপিস্কোপাল সম্মেলনের সভাপতি বিশপদের নিয়ে গঠিত এবং তারা প্রতি বছর FABC-এর নয়টি দপ্তরের চেয়ারম্যান বিশপ নির্বাহী সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

পোপ চতুর্দশ লিও কর্তৃক  শান্তির জন্য জরুরি আহ্বানে সাড়া দিয়ে, এফএবিসি এর সভাপতি কার্ডিনাল ফিরিপ নেরী ফেরাও -এর নেতৃত্বে বিশপরা সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত  প্রার্থনাপূর্ন  ও ধ্যানময়ী পরিবেশে এক ঘণ্টার সাক্রামেন্তীয়  আরাধনায় অংশ নেন।

এই প্রার্থনায় পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে“ যারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করে, ধন্য তারা”।এছাড়া যোহনের মঙ্গলসমাচার ১৪:২৩২৯ থেকে পাঠে খ্রিস্টের এই আশ্বাস উচ্চারিত হয়: “আমি তোমাদের শান্তি দিয়ে যাচ্ছি; আমার শান্তি তোমাদের দিচ্ছিতোমাদের হৃদয় বিচলিত বা ভীত না হোক।এই পাঠের আলোকে বিশেষ প্রার্থনা নিবেদন করা হয় সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জন্য এবং ইরান, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের জন্য, যাতে তারা সহিংসতার পরিবর্তে সংলাপের পথ বেছে নেন। একই সঙ্গে যুদ্ধের শিকার মানুষদের জন্যও প্রার্থনা করা হয়যাদের মধ্যে আহত ব্যক্তি, শরণার্থী এবং বাস্তুচ্যুত পরিবার অন্তর্ভুক্ত ও বিভিন্ন ভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।

এই প্রার্থনায় তিনি  প্রয়াত পূন্য পিতা পোপ ফ্রান্সিসের শান্তি বিষয়ক বার্তা ও স্মরণ করেন। তিনি বলেছিলেন “শান্তি ছাড়া ভবিষ্যত নেই, এবং প্রকৃত পুর্নমিলনের মূলভিত্তি হলো প্রার্থনা”।

উল্লেখ্য এই প্রার্থনায় কার্ডিনাল ফিলিপ নেরী মানুষের মর্যাদা ও সামাজিক শিক্ষাকে পুর্নব্যক্ত করে যুদ্ধ ও প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে সংঘাত নয় বরং মণ্ডলী এবং পুর্নমিলনের মধ্য দিয়ে শান্তি আনয়নের লক্ষ্যে কাজ এবং প্রার্থনা করার অনুরোধ ব্যক্ত করেন। সংবাদ- আরভিএ