এফএবিসির যাজক বিষয়ক দপ্তর, সমগ্র এশিয়ায় যাজকদের সিনোডাল গঠনকে গুরুত্ব দিচ্ছে
এশিয়ার ক্যাথলিক মণ্ডলীতে সিনোডাল ও মিশনারি নেতৃত্ব সঠিকভাবে গড়ে তুলতে যাজকদের ধারাবাহিক গঠনের প্রশিক্ষন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন ফেডারেশন অব এশিয়ান বিশপস’ কনফারেন্স (এফএবিসি)-এর যাজক বিষয়ক অধিদপ্তর।
গত ২১ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,জাকার্তার হোটেল মুলিয়ায় অনুষ্ঠিত এফএবিসির ১২তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে দপ্তরের চেয়ারম্যান আর্চবিশপ উদুমালা বালা গত দুই দশকেরও বেশি সময়ের এই বিষয়ের কার্যক্রম গুলো তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে, প্রতিষ্ঠিত এ দপ্তর এশিয়ার বিশপ, যাজক ও সেমিনারি পরিচালকদের জন্য বিভিন্ন সেমিনার, পরামর্শসভা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে আসছে। এর লক্ষ্য হলো গভীর আধ্যাত্মিকতা, মণ্ডলীর চেতনাকে সমৃদ্ধ করা এবং সেবামূলক নেতৃত্বের মনোভাব নিয়ে যাজকদের গড়ে তোলা।
উল্লেখ গত দুই দশকের প্রতিবেদন অনুসারে উল্লেখ করা হয়, যে গত ২২ বছরে মানবিক গঠন, সংকটে থাকা যাজকদের সহায়তা, যাজকীয় পরিচয়, সুরক্ষা, কৌমার্যতা সমন্বিত যাজক গঠন, মঙ্গলবাণী প্রচার এবং সাম্প্রতিক সময়ে সিনোডালিটি-কেন্দ্রিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং ২০২৩ থেকে ২৪ খ্রিস্টাব্দ পযর্ন্ত যাজক ও সেমিনারি পরিচালকদের জন্য সিনোডাল প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।
আর্চবিশপ বালা বলেন, বর্তমান সময়ে সিনোডালিটিই যাজক গঠনের মূল ভিত্তি। ভবিষ্যতে এফএবিসির বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ে পরিবেশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল সংস্কৃতির মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধর্মতাত্ত্বিক ও পালকীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যাজকদের গঠন কেবল সেমিনারিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সারা জীবনব্যাপী চলমান একটি প্রক্রিয়া, যাতে তারা ঈশ্বরের জনগণের সঙ্গে পথচলা আরও একটি সিনোডাল ও মিশনারি চার্চ গড়ে তুলতে সক্ষম হন।- আরভিএ সংবাদ।
