ইন্দোনেশিয়ার বিশপ: এশিয়ায় সম্প্রীতি গড়ার পূর্বে আন্তরিকতার সাথে পরস্পরের কথা শ্রবণ করতে হবে

এফএবিসি‘র ১২তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে ইন্দোনেশিয়ার বিশপ আন্তোনিউস সুবিয়ান্তো বুনজামিন, ওএসসি, ‘একটি পবিত্র মুহূর্ত’ বলে আখ্যায়িত করেন।

ইন্দোনেশিয়ার ক্যাথলিক বিশপ সম্মেলনের সভাপতি বিশপ আন্তোনিউস সুবিয়ান্তো বুনজামিন, ওএসসি, এফএবিসির ১২তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের উদ্বোধনে এশিয়ার মণ্ডলীকে ‘শ্রবণশীল মণ্ডলী’ হয়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি গুরত্বসহকারে বলেন, প্রকৃত সিনোডাল যাত্রা শুরু হয় ঈশ্বর, একে অপর এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর মনোযোগ দিয়ে শোনার মাধ্যমে।

তিনি বলেন, “এই পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন শুধু বিশপদের একটি সভা নয়, বরং এটি পবিত্র আত্মা, একে অপর এবং এশিয়ার জনগণের কণ্ঠস্বর শোনার এক পবিত্র মুহূর্ত।”

উল্লেখ্য বিশপ আন্তোনিউস স্মরণ করিয়ে দেন যে, এফএবিসি দীর্ঘদিন ধরে সংলাপকে এশীয় মণ্ডলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরেছে। দরিদ্র, সংস্কৃতি ও অন্যান্য ধর্মের সঙ্গে অর্থাৎ‘ত্রিমুখী সংলাপ’-এর পাশাপাশি এখন সৃষ্টির যত্নও মণ্ডলীর গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হয়ে উঠেছে।

তাই তিনি মণ্ডলীর কর্ণধারদের শ্রবণ, সহযোগিতা ও পারস্পারিক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সিনোডাল রূপান্তর করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের ‘আগে শুনতে, পরে বলতে’ এবং পোপ লিও চতুর্দশের সংলাপ, উন্মুক্ততা ও ভালোবাসার মাধ্যমে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার আহ্বানের কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি এই অধিবেশনের জন্য পবিত্রআত্নার দ্বারা পরিচালিত হওয়ার জন্য প্রার্থনা করেন যেন এই অধিবেশন এশিয়ার স্থানীয় মণ্ডলীগুলোকে আরও শক্তিশালী করে, সাধারণ খ্রিস্ট বিশ্বাসী ও যুবাদের ক্ষমতায়ন করে, সৃষ্টির প্রতি যত্নশীলতা বৃদ্ধি করে এবং সমগ্র এশিয়ায় মণ্ডলীর সাক্ষ্যকে নবায়ন করে।

পরিশেষে তিনি ক্ষ্রদ্র প্রার্থনায় স্মরণ করেন এফএবিসির সম্নেলনে উপস্থিত সকলকে, ঈশ্বর যেন প্রত্যেককে শান্তির দূত করে তোলেন। তবেই এশিয়ার মধ্যে সবাই আরো মহৎ কিছু দেখতে পাবে। - আরভিএ সংবাদ।

Bengali pop up image