রাজশাহী ধর্মপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হল ১৯তম পালকীয় কর্মশালা

১৯তম পালকীয় কর্মশালা দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবকের আহবানঃ “কৃতজ্ঞ হও”

গত ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের খ্রিস্টজ্যোতি পালকীয় সেবাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ১৯তম পালকীয় কর্মশালা। উক্ত কর্মশালার মূলসুর ছিলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবকের আহবানঃ “কৃতজ্ঞ হও”।

উক্ত কর্মশালায় ফাদার সিস্টার ও খ্রিস্টভক্তসহ ১৩৮ জন উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মপ্রদেশেদের ধর্মপাল বিশপ জের্ভাস রোজারিও।

বিশপ জের্ভাস রোজারিও তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, এ বছর পালকীয় কর্মশালার মূলভাব “দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবকের আহ্বান: ‘তোমরা কৃতজ্ঞ হও’।

বিশপ বলেন, “সৃষ্টির সকল কিছুই উপভোগ করার এবং ঈশ্বরের সকল সৃষ্টির যত্ন করা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও আমরা পেয়েছি। এ সকল দায়িত্ব পালন করতে আমরা অনেক বার ব্যর্থ হয়েছি। কারণ ঈশ্বরের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ নই”।

“আমরা কৃতজ্ঞ হলে ঈশ্বরের উপহারের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতাম, তাঁর সকল সৃষ্টিকে সম্মান, যত্ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করতাম। তাই তিনি আমাদের সন্তানদের মঙ্গলসমাচারের উপযুক্ত শিক্ষা ও নৈতিক গঠনের আহবান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সমাজে ও স্থানীয় মণ্ডলীতে “কৃতজ্ঞ হওয়ার” সংস্কৃতি গড়ে তুলি,” বলেন বিশপ জের্ভাস।

মিসেস সুলেখা গমেজ বলেন, “কর্মশালায় অংশগ্রহণ ভাল ছিল, ধর্মপল্লীভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়গুলি ভাল ছিল। ভবিষ্যতে বিনোদনের ব্যবস্থা থাকলে আরও ভাল হবে”।

পালকীয় সেবাদলের আহবায়ক ফাদার বাবলু সি. কোড়াইয়া  কর্মশালার সফল বাস্তবায়নে গৃহিত পরিকল্পনা মোতাবেক ধর্মপল্লী পর্যায়ে কাজ করার অনুরোধ জানান।

সবশেষে গ্রহণ করা হয় ধর্মপ্রদেশীয় প্রেরণ বিবৃতি। উক্ত বিবৃতিতে পাঁচটি অগ্রাধিকার গ্রহণ করা হয়। সেগুলি হলো যথাক্রমে- ১) অংশগ্রহণ, ২) দান প্রদান, ৩) স্বেচ্ছাশ্রম, ৪) নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতার অনুশীলন, ও ৫) মানুষ, প্রকৃতি-পরিবেশ ও সৃষ্টির যত্ন।- ফাদার সুরেশ পিউরীফিকেশন

 

Add new comment

1 + 0 =