বাংলাদেশ রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় কাটেখিস্ট সিস্টার ও মাস্টারগণের আগমনকালীন নির্জন ধ্যান

রাজশাহী র্ধমপ্রদেশে অনুষ্ঠতি হল কাটখেস্টিগণরে আগমনকালীন বিশেষ নির্জন ধ্যান।

গত ১৭-১৮ নভেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাজশাহী খ্রিস্টজ্যোতি পালকীয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হল রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় কাটেখিস্টগণের আগমনকালীন বিশেষ নির্জন ধ্যান।

এ আগমনকালীন নির্জন ধ্যানের মূলসুর ছিল “তোমরা প্রভুর আগমনের পথ প্রস্তুত কর” (লুক ৩:৩)। বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে আগত সর্বমোট ২০ জন কাটেখিস্ট সিস্টার ও কাটেখিস্ট মাস্টার এতে অংশগ্রহণ করেন এবং নির্জন ধ্যান-সাধনার মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগ লাভ করেন।

প্রথমেই ফাদার উত্তম রোজারিও সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্জন ধ্যানের অর্থ ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন এবং অত্র নির্জন ধ্যানের মূলসুর ঘোষণা করে সকলকে এতে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

ফাদার উত্তম মূলসুরের উপর তার উপদেশবাণীতে বলেন, “দীক্ষাগুরু যোহনের জীবনাদর্শ উপস্থাপন করে সকলকে দীক্ষাগুরু যোহনের মতো সহজ, সরল, নম্র, ধার্মিক, ন্যায়পরায়ন ও সত্যবাদী হয়ে সকল মানুষের কাছে খিস্টবাণী ঘোষণা করার আহ্বান জানান”।

তিনি আরো বলেন, “দীক্ষাগুরু যোহন হলেন কাটেখিস্টদের আদর্শ। তিনি যেভাবে মানুষকে যিশুর আগমনের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন তেমনি কাটেখিস্টগণও যেন মানুষকে যিশুর কাছে নিয়ে আসার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান”।

এই আগমনকালীন বিশেষ নির্জন ধ্যানের মধ্যে ছিলো আরাধ্য সাক্রামেন্তের আরাধনা, পবিএ খ্রিস্টযাগ, ব্যাক্তিগত সময় ও পাপস্বীকার সাক্রামেন্তের ব্যাবস্থা।

এরপর বিশপ জের্ভাস রোজারিও সকলের উদ্দেশ্যে খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন। খ্রিস্টযাগের উপদেশবাণীতে বিশপ বলেন, “সাধু পিতর ও পলের জীবনাদর্শ ও রোমে তাদের নামে উৎসর্গকৃত মহামন্দিরের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন”।

তিনি আরো বলেন, “কাটেখিস্টগণ যেন এ দু’জন সাধুর জীবনাদর্শ ও বাণীপ্রচারের কৌশল অনুসরণ করে মানুষের মাঝে মঙ্গলসমাচার প্রচার করেন”।

পরিশেষে, অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যদিয়ে এবং সকলের মঙ্গল কামনা করে এই আগমনকালীন নির্জন ধ্যানের সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

Add new comment

6 + 14 =